1. খোঁজ
  2. ৩০টি ভাষার মধ্যে বেছে নিন


 

চলতি ঘটনা  | 09.03.2010

শান্তি স্থাপনে যারা ঝুঁকি নেবে, তাদের পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র : বাইডেন

 

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মধ্যপ্রাচ্য শান্তি আলোচনায় একটি নতুন দিকের সন্ধান দিতে পারেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ আর এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতেই বর্তমানে ইসরায়েল সফর করছেন তিনি৷

 

মঙ্গলবার ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেসের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে তাঁর কর্মসূচি শুরু করেছেন বাইডেন৷ তাই দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার পর, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্যালেস্টাইন ও ইসরায়েল - উভয়পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরুর একটা আভাস দেখা যাচ্ছে ইতিমধ্যেই৷

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের কথায়, ‘‘প্রেসিডেন্ট ওবামা এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ইসরায়েলের দীর্ঘকালীন নিরাপত্তার জন্য ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একটি সমন্বিত শান্তি চুক্তি প্রয়োজন৷ প্রয়োজন সিরিয়া, লেবানন তথা গোটা আরব বিশ্বের সঙ্গে একটা স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপনের৷ এর সঙ্গে শুধু ইসরায়েলের নয়, সমগ্র আরব বিশ্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থও জড়িত রয়েছে৷ তাই ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে পরোক্ষ আলাপ-আলোচনায় সম্মতি দেওয়ায়, আমি সত্যিই আনন্দিত৷ ইসরায়েল এবং প্যালেস্টাইন যাতে পাশাপাশি শান্তিতে বিরাজ করতে পারে, সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য৷ আর এটা সম্ভব একটি দ্বিজাতি তত্ত্ব গঠনের মাধ্যমে৷ ঐতিহাসিক সেই শান্তি চুক্তির জন্য দুই পক্ষকেই ঐতিহাসিক কিছু অঙ্গীকার করতে হবে৷'' শিমন পেরেস ও বাইডেনBildunterschrift: Großansicht des Bildes mit der Bildunterschrift:  শিমন পেরেস ও বাইডেন

মঙ্গলবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু'র সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতার পর জো বাইডেন আরো জানান, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এটাই ‘আদর্শ সুযোগ'৷ আর এই সুযোগকে কাজে লাগানোর কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু৷ তিনি জানান, ‘‘মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মার্কিন মধ্যস্থতা ইতিমধ্যেই সুফল বয়ে আনতে শুরু করেছে৷ আমি এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ওবামার তথা যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত৷ আমি আশা করছি, এর মাধ্যমে আমরা একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সক্ষম হবো৷ যার ফলে ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েল তার স্বীকৃতি পাবে এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা রক্ষিত হবে৷''

তবে এতোকিছুর পরও, ইরানের পরমাণু পরিকল্পনা নিয়ে আশঙ্কিত ইসরায়েল৷ স্বাভাবিকভাবেই, তা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে৷ অবশ্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু'র কথায়, ‘‘শান্তি আলোচনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পদক্ষেপকে আমি স্বাগত জানাই৷ স্বাগত জানাই আন্তর্জাতিক সমাজের স্বার্থে, ইরানের ওপর কঠোরতর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তকেও৷ এর ফলে ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচিতে কিছু পরিবর্তন আনতে পারে বলে আমি মনে করি৷''

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দায়িত্ব গ্রহণের পর, বাইডেনই হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে উচ্চপদস্থ ব্যক্তি যিনি মধ্যপ্রাচ্য সফর করছেন৷ বলাই বাহুল্য, প্রেসিডেন্ট ওবামা ইসরায়েলের নিরাপত্তার ব্যাপারে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা পালন করাই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য৷

প্রতিবেদক : দেবারতি গুহ

সম্পাদনা : সঞ্জীব বর্মন

 
 

আমাদের ই-মেল পাঠান »অন্যদের পাঠান »প্রিন্ট করুন »

Weitere Schlagzeilen

 
এই প্রতিবেদন অন্যদের পাঠান


বাংলা অনুষ্ঠান শুনুন

অন্যান্য ভাষা

দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ডয়চে ভেলের অন্যান্য ভাষায় ওয়েবসাইট

  • বাইরের ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুর জন্য ডয়চে ভেলে দায়ী নয়